নানা আয়োজনে নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে দেশের অভিজাত হোটেলগুলোতে—যা দৃষ্টি কেড়েছে সেলিব্রেটি আর দেশি-বিদেশিদের।
যা আবহমান বাংলার খাবার-দাবার থেকে সাজসজ্জা সবকিছুতেই ছিল বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্যের ছোঁয়া।
বৃহস্পতিবার বর্ষবরণের এ উৎসবকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলার সংস্কৃতিকে ব্র্যান্ডিং-এর সুযোগ হিসেবে দেখছেন আয়োজকরা।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাজধানীর অভিজাত হোটেলগুলো সেজেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন আদলে যা দেশি সাজে। গ্রাম বাংলার সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ দিয়ে সাজানো হয়েছে পাঁচতারা হোটেলগুলো।
খাবার-দাবারেও এদিনের জন্য ছিল ভিন্ন আয়োজন। ওয়েস্টার্ন, কন্টিনেন্টাল খাবারের বদলে ছিল বাঙালি খাবারের আধিক্য।
নগরীর অভিজাত-বিত্তবানদের অনেকেউই বৈশাখ উদযাপনে উপস্থিত হন হোটেল সোনার গাঁও, ঢাকা রেজিন্সি লা মেরিডিয়ান এসব পাঁচ তারকা হোটেলে।
বৈশাখী মেলা, পুতুল নাচ, লোকজ গানসহ বিনোদনেও ছিল বিভিন্ন আয়োজন যা নজর কেড়েছে বিদেশিদেরও।
বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি বিশ্বদরবারে নিয়ে যেতে আয়োজকরা নববর্ষকে দেখছেন একটি সুযোগ হিসেবে।
সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও সার্বজনীন উৎসবের এই আমেজে বাংলাদেশ কোনো অংশেই এখন আর পিছিয়ে নেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে।