সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পর্যটন এলাকা। জীব বৈচিত্রে ভরা কুয়াকাটায় পর্যটকদের মনোরঞ্জনে উপভোগ্য স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত। পাশাপাশি আকর্ষনীয় হয়ে উঠেছে মিস্ত্রিপাড়া বিহারে স্থাপিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ বৌদ্ধমূর্তি আর বৌদ্ধমন্দির।
এছাড়াও রয়েছে প্রায় আড়াইশ বছর আগের কুয়া। যে কুয়ার নামেই বিশ্বব্যাপী পরিচিত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। কুয়াকাটার সঙ্গে দেশের যোগাযোগ ও আবাসন ব্যবস্থার উন্নতি হওয়া এবং সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় পর্যটকের ভীড় দিন দিন বাড়ছে।
পটুয়াখালী শহর থেকে ৬৯ কিলোমিটার দূরে বঙ্গপোসাগরের কোলে অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা। এখানে রয়েছে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বেলাভূমি। এ বেলাভূমিতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপরুপ সৌন্দর্য দেখা যায়।
প্রকৃতিক জীব বৈচিত্রে ভরা সৈকতের সৌন্দর্য্য যেন বাড়িয়ে দেয় কুয়াকাটার প্রতি পর্যটকদের আকর্ষন। শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষাসহ সব ঋতুতেই পর্যটকদের কোলাহলে দিন-রাত মুখর থাকে সমুদ্র সৈকত।
এছাড়া বৌদ্ধ বিহার, বিভিন্ন মন্দির, দর্শনীয় পর্যটন স্পট হাজার হাজার পর্যটককে টেনে আনে কুয়াকাটায়।
এদিকে, পর্যটকদের এক দর্শনীয় স্থান মিস্ত্রিপাড়া বৌদ্ধবিহার। যেখানে রয়েছে ৩৬ ফুট উচ্চতার বৌদ্ধমূর্তি। এছাড়াও, মন্দিরের ঠিক কিছু দুরেই রয়েছে পাতকুয়া। যে কুয়ার নামেই কুয়াকাটার নামকরণ।
কুয়াকাটা থেকে মিস্ত্রিপাড়া বৌদ্ধবিহারে যাতায়াত ব্যবস্থা ভাল নয়; রয়েছে বিদ্যুৎতের সমস্যা। এতসব কিছুর পরও পর্যটকরা মুগ্ধ প্রকৃতিক সৌন্দর্যে।
তবে কুয়াকাটায় রয়েছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হোটেল-মোটেল ও ডাকবাংলো।
কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিষ্ট সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মীর ফসিউর রহমান বলেন,জনবল, যানবাহন ও যন্ত্রপাতির ঘাটতি থাকলেও কুয়াকাটায় ভ্রমনে আসা পর্যটকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেয়া হচ্ছে।
এছাড়াও কুয়াকাটার আধুনিকায়ন আর আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটগুলোর সঙ্গে ভালো সড়ক যোগাযোগ ও বৌদ্বমন্দিরসহ দর্শনীয় স্পটগুলোতে আবাসন ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে পারলে পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে এ সাগরকন্যা।