নেত্রকোনা জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী উপজেলা দূর্গাপুর। বহু বিপ্লব বিদ্রোহের স্বাক্ষী ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত পাহাড়ী জনপদ এই দূর্গাপুর।
এখানে রয়েছে টংক আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ, হাজং মাতা রাশিমনির স্মৃতিসৌধ, ক্যাথলিক র্গীজা, রানীখং মিশন, সাদা মাটির পাহাড়সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। পাহাড় থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরী নদী যেন আরেক বিচিত্র ঝর্ণধারা। দেখলে মনে হয় যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের এক অপরুপ লীলাভূমি।
আর তা উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে প্রতিদিনই আসেন পর্যটকরা।
তবে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে দূর্গাপুর একটি বিপুল সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকায় পরিণত হতে পারে বলে জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ।
এছাড়া পর্যটন এলাকা উপভোগ করতে দুরদুরান্ত থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।
দূর্গাপুর ও কলমাকান্দাকে পর্যটন এলাকা ঘোষণা করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটিয়ে পর্যটকদের কাছে আরোও আকর্ষণীয় করে তোলায় সরকার এগিয়ে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা সবার এলাকাবাসীর।