সব্যসাচী লেখক কবি সৈয়দ শামসুল হকের ৮১তম জন্মবার্ষিকী আজ-মঙ্গলবার বিভিন্ন আয়োজনে পালন করছে দেশবাসী।
গোটা ছয় দশক ধরে কবিতা, গান, নাটক, গল্প-উপন্যাসসহ সাহিত্য ও শিল্পের ভুবনে অবিরাম বিচরণ করেছেন বহুমাত্রিক লেখক সৈয়দ হক।
ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাই এবার কবিকে ছাড়াই উদযাপিত হচ্ছে তার জন্মদিন।
আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি, বাংলার আলোপথ দিয়ে হাজার বছর চলি—এ কারণেই তিনি সব্যসাচী লেখক হিসেবে সর্বজন সমাদৃত।
এভাবেই কবিতার আশ্রয়ে কবি হৃৎকলমের টানে মেলে ধরেছিলেন স্বদেশের মুখটি। তিনি সাহিত্যের সকল শাখায় বিচরণকারী কবি সৈয়দ শামসুল হক। আজ তার ৮১তম জন্মবার্ষিকী।
১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ হক। দীর্ঘ লেখালেখির জীবনে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, গান রচনাসহ সাহিত্যের সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সফল। সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল বিচরণের সক্ষমতাই তাকে দিয়েছে সব্যসাচী উপাধি।
তার রচিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরাণের গহীন ভিতর, আমার শহর ঢাকা, বৃষ্টি ও জলের কবিতা। কাব্যনাট্য রচনায় ঈর্ষণীয় সফলতা পাওয়া সৈয়দ হকের নুরলদীনের সারাজীবন, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, গণনায়ক, ঈর্ষা ইত্যাদি নাটকে রেখেছেন মুন্সিয়ানার স্বাক্ষর।
ষাট, সত্তর ও আশির দশকে চলচ্চিত্রের জন্য গানও লিখেছেন সৈয়দ হক। অনেক সাধের ময়না আমার, তোরা দেখ দেখ দেখরে চাহিয়া, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুসের মতো তার বহু গান মানুষের মুখে মুখে।
স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় কবিতা পরিষদ, শিল্পকলা একাডেমি ও বিভিন্ন সংগঠন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। দীর্ঘ ৬২ বছরের লেখালেখির জীবনে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটকসহ সাহিত্যের সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সফল। এ কারণেই তিনি সব্যসাচী লেখক হিসেবে সর্বজন সমাদৃত। তিনি স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় কবিতা পরিষদ, শিল্পকলা একাডেমি ও বিভিন্ন সংগঠন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।