গ্রাম থেকে পৌষ উৎসব এখন চলে এসেছে শহরে— সেটা যতটা না হৃদয়ে তার চেয়ে বেশি বাহ্যিকতায়।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের পৌষ উৎসবের উদ্বোধনীতে এমন এ মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে। গ্রামের মেলাগুলো শহরে উঠে এসেছে, গ্রামে কমে গেছে, আমরা এতদিন নববর্ষ উদযাপনের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে প্রতিটি জেলা–উপজেলায় সামান্য হলেও সেখানে অর্থ সাহায্য দেয়া হয়ে থাকে। আমরা আগামীতে নবান্ন উৎসবে দেয়া চেষ্টা করা হচ্ছে, তাকে করে হবে কি এ টাজেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হতে থাকব।’
গ্রামীণ পিঠা-পুলি, পৌষের গ্রামীণ অনুষঙ্গ। এ নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় চলছে পৌষ মেলা। নাগরদোলা, সাজ-সজ্জা, সব কিছুতেই গ্রামীণ সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা। এসব পৌষ উৎসবে শহুরে শিশুদের পরিচয় ঘটছে গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে কিন্তু ঘটাতি রয়েছে সংস্কৃতির মূলে পৌষ মাসের পরিচিতি শিশুদের কাছে জানুয়ারি মাস হিসেবেই।
গ্রাম বাংলার ১২ মাসের ১৩ পার্বন বিদায় নিয়েছে আগেই বাজার অর্থনীতিতে এখন কেবলই তা শহর কেন্দ্রিক, শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।.
সংস্কৃতি মন্ত্রীর আশ্বাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি আবারও পুনরুজ্জীবিত হবে। বিভিন্ন পালা-পার্বন, উৎসব আয়োজনে থাকবে আর্থিক সহায়তা।
সুরের ধারা আয়োজিত, এই পৌষ উৎসব শেষ হবে শনিবার।