দেশহারা মানুষের সংগ্রামে কবিতা-এই শ্লোগানকে ধারন করে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী জাতীয় কবিতা উৎসব।
এবছরও বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১০টি দেশের বিশিষ্ট কবিরা এতে অংশ নিয়েছেন। প্রথম দিনে কবিতা পাঠ, আবৃত্তিসহ ছিল মুক্ত আলোচনা। কবিরা বলেন, নির্যাতনের স্বীকার হয়ে যে মানুষগুলো দেশহারা- সেই বর্বরতার বিরুদ্ধে কবিতার শানিত উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিবাদ পৌঁছে দেওয়াই এবারের উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য।
বত্রিশতম জাতীয় কবিতা উৎসবে বরাবরের মত এবারো বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১০টি দেশের বিশিষ্ট কবিরা অংশ নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন কবি আসাদ চৌধুরী।
শৃঙ্খল মুক্তির ডাক দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি তারিক সুজাত।
তিনি বলেন, দেশহারা মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা বাংলাদেশসহ বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এবারের কবিতা উৎসবের শ্লোগান- দেশহারা মানুষের সংগ্রামে কবিতা।
জাতীয় কবিতা উৎসবের মর্মবাণীতে, কবিতায়, গানে ও কথামালায় তুলে ধরা হয়েছে দেশহারা মানুষের সংগ্রামের কথা, থাকছে তাদের প্রতি সকলের গভীর সহমর্মিতার কথাও - এমনটা জানান কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি ড. মুহাম্মদ সামাদ।
মুক্ত আলোচনায় ভারত, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, ক্যামেরুনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিশিষ্ট কবিরা জানান কবিতা উৎসব নিয়ে তাদের ভালবাসার কথা। এ উৎসবে প্রবন্ধ উপস্থাপন, আলোচনা, সেমিনার ও থাকছে কবিতা পাঠ।
ভিনদেশীদের স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং বাংলা ভাষা ব্যবহারের চেষ্টাও মুগ্ধ করে দর্শক শ্রোতাদের।
দুই ফেব্রুয়ারি জাতীয় কবিতা উৎসবের সমাপনী দিন।