শেষ বিদায় জানাতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছে শ্রীদেবীর ভক্ত অনুরাগীরা।
মুম্বাইয়ের পথেঘাটে তিন দিন, তিন রাত জেগে শ্রীদেবী দর্শনের অপেক্ষায় তার হাজার হাজার অনুরাগীরা।
সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেখানে রাখা হয় তাকে। পরে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য দুপুর ২টায় তাকে নিয়ে যাওয়া হবে ভিলে পার্লে শ্মশানে। বিকেল সাড়ে ৩টায় জনপ্রিয় এ অভিনেত্রীর দাহ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
গতকাল চেন্নাই ও হায়দরাবাদ থেকে ‘চাঁদনি’র অনুরাগীরা ৪০টি বাসে চেপে রওনা দেন মুম্বাইয়ের পথে।
বুধবার সকাল ৮টা ৩৫ মিনিট, একটু একটু করে ভিড় জমতে শুরু করে আন্ধেরির লোখান্ডওয়ালা সেলিব্রেশন স্পোর্টস ক্লাবের সামনে। শ্রীদেবীর গ্রিন অ্যাক্রস আবাসন থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে এ ক্লাব।
এ এলাকার সব রাস্তা এখন বন্ধ রাখা হয়েছে, কোনো যানবাহন চলাচল আপাতত বন্ধ এ রাস্তায়। সকাল ৮টা ৫৮ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সে শ্রীদেবীর মরদেহ স্পোর্টস ক্লাবে এসে পৌঁছায়।
অন্য গাড়িতে ছিলেন অনিল কাপুর, বনি কাপুর, অর্জুন কাপুর, জাহ্নবীসহ আরও অনেকে।
গেটের সামনে থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। যশরাজ থেকে সংবাদমাধ্যমের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শুধু একবার প্রাণহীন শ্রীদেবীকে দর্শনের জন্য উন্মাদ বলিউড তথা অসংখ্য অনুরাগী।
গতকাল রাতে অনিল আম্বানির ব্যক্তিগত জেটে করে দুবাই থেকে মুম্বাইয়ে আনা হয় শ্রীদেবীর মরদেহ। একই বিমানে ছিলেন বনি কাপুর, অর্জুন কাপুর, সঞ্জয় কাপুরসহ কাপুর পরিবারের আরও সদস্য। বিমানবন্দরে অপেক্ষায় ছিলেন অনিল কাপুর, সোনম কাপুর, অনিল আম্বানিসহ আরও অনেকে। অ্যাম্বুলেন্সে করে বলিউডের ‘চাঁদনি’র মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় আন্ধেরি লোখান্ডওয়ালাতে, তার বাসা ‘গ্রিন অ্যাক্রস’-এ। গতকাল রাতে এই আবাসনে আসতে দেখা যায় বলিউড তারকা সালমান খান, মনীশ মালহোত্রাকে। এ রাতে গ্রিন অ্যাক্রসের সামনে ভিড় করেন সংবাদমাধ্যমসহ শ্রীদেবীর অনুরাগীরা। নয় থেকে নব্বইকে দেখা যায় এই ভিড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।