আসন্ন বাংলা নববর্ষ— নতুন বছরকে বরণ করে নিতে দেশজুড়ে চলছে নানা প্রস্তুতি।
মঙ্গল শোভাযাত্রা জন্য কিশোরগঞ্জ, যশোরসহ জেলায় জেলায় চলছে নানা প্রস্তুতি। এছাড়াও বাহারি সব মুখোশ তৈরি আর আলপনা আঁকা চলছে পুরোদমে। বর্ষবরণকে ঘিরে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন জামালপুরের নকশী শিল্পীরা। আর তাল পাখা তৈরীর ধুম পড়েছে বরিশালে।
পহেলা বৈশাখে নতুন জামা-কাপড় কেনার ধুম পড়ে গেছে। আর গরমের দিকটা মাথায় রেখে এসময় হালকা কাপড়ের ওপর নঁকশী করা পোষাকেরই চাহিদা বেশি।
আর তাই ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন জামালপুরের সূচি শিল্পীরা। কাঁথা, চাঁদর, শাড়ি, লেহেঙ্গা, পাঞ্জাবী, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়াতে বাহারি সব নঁকশা করছেন তারা। দাম কিছুটা বেশি হলেও, সাধ ও সাধ্যের সমন্বয়ে পছন্দের পণ্যটি কিনছেন ক্রেতারা।
বর্ষবরণ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, চৈত্র সংক্রান্তি ও বিভিন্ন ধরনের লোক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে বরিশালে।
আর বৈশাখী মেলার অন্যতম অনুষঙ্গ তালের পাখা তৈরির ধুম বরিশালের উজিরপুরের মোরাদিয়া গ্রামে। গ্রামের অন্তত ২০টি পরিবার বংশপরম্পরায় এ কাজ করে আসছে। কিন্তু পর্যাপ্ত কাঁচামালের অভাবে তালপাখা তৈরি ব্যহৃত হয় তাদের।
বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। ‘আমাদের কিশোরগঞ্জ’ সংগঠনের উদ্যোগে পুরাতন স্টেডিয়াম মিলনায়তনে চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রার কাজ।
কেউ কাগজ কেটে, রঙ করে তৈরি করছে পেঁচা, ময়ূরসহ বিভিন্ন পাখি ও জীব-জন্তুর মুখোশ। আবার অনেকেই রঙ-তুলি দিয়ে আঁকছেন আলপনা।
প্রতি বছরের মতো এবারো ভিন্ন অঙ্গীকার নিয়ে পহেলা বৈশাখের আয়োজন করছে যশোরবাসী। ‘জঙ্গীবাদ নিপাত যাক-দূর হোক অপসংস্কৃতি’ এ শ্লোগান নিয়ে প্রায় এক মাস ধরে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।