দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সাধারণ মানুষের অবদানের কথা উপেক্ষিত হয়েছে তবে তাদের বাদ দিলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পূর্ণাঙ্গ হবে না।
শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের ১২তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিশিষ্টজনেরা।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের ইতিহাস বাধ্যতামূলক করার প্রক্রিয়া চলছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা অভিযোগ করেন, নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাস শেখানো হচ্ছেনা, বিদেশি ইতিহাস ও সংস্কৃতি শেখার প্রতিই তাদের বেশি আগ্রহ।
আর সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, স্বাধীরতার প্রায় অর্ধশতক বছর পরও, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এখনো পূর্ণাঙ্গ নয়। যতটুকু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখা হয়েছে, তাতে এদেশের কামার-কুমার, কৃষক-তাঁতীর অবদানের কথা উঠে আসেনি।
এ বিষয়ে দৃষ্টি দিতে ইতিহাসবিদদের প্রতি আহবান জানান মন্ত্রী।
প্রকৃত ইতিহাস পড়লে, নতুন প্রজন্ম আরো দেশপ্রেমী হয়ে গড়ে উঠবে বলে আশা বক্তাদের।
বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের ১২তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে, দেশের ইতিহাস নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।