দেশের চারটি প্রেক্ষাগৃহে শুক্রবার প্রদর্শন শুরু হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিজীবন কেন্দ্রিক তথ্যচিত্র 'হাসিনা: অ্যা ডটার'স টেল'। বাবার আদরের একজন হাসু'র শেখ হাসিনা হয়ে ওঠার গল্প উঠে এসেছে এখানে।
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর হাসিনা ও রেহানা- বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার নির্বাসিত জীবনসংগ্রামের চিত্র এটি। স্বকণ্ঠেই সেই দুঃসময়ের বর্ণনা দিয়েছেন দুই বোন। গতকাল এর প্রিমিয়ার শোর আয়োজন করা হয়।
ইতিহাসকে হত্যা করা হয় পঁচাত্তরে, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটির এই সিড়িতেই- ইতিহাসের গতি স্তব্ধ হতে পারত তখনই। সেই সিড়ি বেয়েই উঠে আসেন ঐশ্বর্যদীপ্ত বিশাল উত্তরাধিকার। বঙ্গবন্ধু কন্যা এসে দাঁড়ালেন জনতার কাতারে। তবে সহজ ছিল না এই পথ চলা।
একজন সাধারন নারী বাবা-মা, স্বজন-পরিজন হারিয়ে ছোট বোনকে নিয়ে কি করে টিকে থাকলেন? রক্ত আর অশ্রুর সাগর পাড়ি দিয়ে তাকে ধরতে হয়েছে দেশের হাল। সেই অজানা কাহিনী নিয়েই "হাসিনা: অ্যা ডটার'স টেল"।
পরিচালনা করেছেন অ্যাপল বক্স ফিল্মসের পিপলু খান। সেন্টার ফর রিচার্স অ্যান্ড ইনফরমেশনের পক্ষে ডকুফিল্মটি প্রযোজনা করেছেন রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু। তবে প্রধানমন্ত্রী নয়, বঙ্গবন্ধু কন্যার গল্পই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এ ডকুড্রামায়।
আজিমপুর গার্লস স্কুলে, বন্ধুদের সঙ্গে বেড়ে ওঠা ভাবনাহীন সহজ সরল কিশোরী শেখ হাসিনার, স্বজন হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে এক দৃঢ়চেতা রাষ্ট্রনেতায় পরিণত হবার চিত্রই এখানে উঠে এসেছে।
প্রিমিয়ার শো' শেষে দর্শকরা জানালেন তাদের অনুভূতির কথা। অনেকেই এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
৭০ মিনিটের এ ডকুড্রামাটি ১৬ নভেম্বর একযোগে দেশের চারটি সিনেমা হলে মুক্তি পাবে।