বিদায় নিয়েছে শীতের কুয়াশা। বাতাসে পাতা ঝরার শব্দ ডালে ডালে কচিপাতার উঁকিঝুকি। কোকিলের ডাকে বসন্ত আবাহন। পলাশের রঙে তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে একাকার- পহেলা ফাল্গুন। নাচে, গানে, বাসন্তী-বসনে বরণ ঋতুরাজ বসন্তকে।
বসন্তের ডাকে সাড়া দিতেই ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় ছুটে আসেন তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সের মানুষ।
প্রকৃতির পাশাপাশি ফাগুনের রঙ লেগেছে সবার মনে।
বাসন্তি রং, লিলুয়া বাতাস, আর গাছে গাছে কৃষ্ণচূড়া, রক্তিম পলাশ জানান দিচ্ছে- এসেছে বসন্ত- পহেলা ফাল্গুন। শুধু ফাল্গুনের আনন্দই নয়, সাবই এবার বসন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশ প্রেমের আবেগে।
বসন্তবরণে শিশুদেরও যেন আনন্দ বাঁধ মানে না।
কবি, লেখক, শিল্পীদের কবিতায়-গানে-সুরে, বসন্ত-বন্দনায় ধ্বণিত হয় গণমানুষেরই হৃদয়ের প্রতিধ্বনি।
বছরের দু-একটা দিনের সূর্য ওঠে অন্যরকম বার্তা নিয়ে। সেই দিনটা শুধুই আনন্দের, উচ্ছাসে গা ভাসানোর। কর্মমুখর দিন হলেও এই বসন্তে উৎসবের কমতি পড়েনি এতটুকু।