না ফেরার দেশে পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা ও সাবেক সাংসদ তাপস পাল। মঙ্গলবার ভোরে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০০৯ সালের ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে কৃষ্ণনগর থেকে এমপি হন তিনি।
গত দুই বছর ধরে হৃদযন্ত্রের অসুস্থতায় ভুগছিলেন তাপস পাল। বেশ কয়েক বার অসুস্থতায় ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালেও। মেয়ে সোহিনীর সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে মুম্বই বিমানবন্দরেই বুকে ব্যথা অনুভব করেন সাংসদ। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে ভর্তি করা হয় সেখানকার একটি হাসপাতালে। পরে মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।
পরিচালক তরুণ মজুমদারের হাত ধরে মাত্র ২২ বছর বয়সে ’দাদার কীর্তি’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক হয় টলিউডের শক্তিশালি এই অভিনেতার। এরপর। ‘অর্পণ’, ‘সুরের সাথী’, ‘সুরের আকাশে’, ‘নয়নমণি’, ‘চোখের আলোয়’, ‘তবু মনে রেখো’ সহ আরো বেশ কয়েকটি ছবির মাধ্যমে জায়গা করে নেন দর্শক হৃদয়ে। এছাড়াও ‘অবোধ’ ছবিতে মাধুরী দীক্ষিতের বিপরীতে দেখা যায় তাকে।
পশ্চিমবঙ্গের চন্দননগরে জন্ম নেওয়া তাপস পাল হুগলি মোহসিন কলেজ থেকে জীববিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
২০১৬ সালের শেষদিকে রোজ ভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে তাঁকে গ্রেপ্তার হন তাপস পাল। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিন পান। এরপর থেকেই রাজনীতি থেকেও দুরে সড়ে যান তিনি। সূত্র/ভোরেরকাগজ