দ্বিতীয় বিয়েও ভাঙল বলিউড সুপারস্টার আমির খানের।পরিচালক কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা সারলেন অভিনেতা। শনিবার (৭ জুলাই) যৌথ বিবৃতিতে দিয়ে ডিভোর্সের ঘোষণা করলেন আমির খান ও কিরণ রাও। তবে দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টানলেও একে অপরের পরিবারের অংশ থাকবেন তারা, পাশাপাশি তাদের একমাত্র সন্তান আজাদ খানেও দেখভালের দায়িত্ব থাকবে দুজনের কাঁধেই। শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, পেশাদার জীবনেও তাদের পার্টনারশিপ আগের মতোই চলতে থাকবে বলে জানিয়েছেন ‘প্রাক্তন’ জুটি। পানি ফাউন্ডেশনসহ বাকি সকল প্রজেক্টে একসঙ্গেই কাজ করবেন আমির-কিরণ।
যৌথ বিবৃতিতে অমির-কিরণ জানান, ‘এই ১৫ বছর ধরে হাসি-মজায় আমরা বহু স্মরণীয় মুহূর্ত কাটয়েছি। বিশ্বাস, সম্মান ও ভালবাসায় আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এবার আমরা জীবনের আরও এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে চাই। তবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে নয়, অভিভাবক এবং পরস্পরের পরিবার হিসেবে।’ তাঁরা আরও লেখেন, ‘বহুদিন ধরেই আমরা বিচ্ছেদ পরিকল্পনা করছিলাম। এখন আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছি যে, আগামী জীবন আলাদা ভাবে কাটাবো। তবে ছেলে আজাদের জন্য অভিভাবকের দায়িত্ব পালনে কোনও খামতি রাখব না। যৌথ লালনপালনে তাকে বড় করে তুলব। চলচ্চিত্র, পানি ফাউন্ডেশন এবং অন্যান্য় প্রজেক্টে আমরা একসঙ্গেই আগের মতোই কাজ করব।’ শেষে তাঁদের পাশে থাকার জন্য পরিবার, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ জানান আমির খান ও কিরণ রাও।
আমির খান ও কিরণ রাও-এর প্রথম আলাপ লাগানের সেটে। ২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন তাঁরা। বিয়ের ছয় বছর পর জন্ম হয় এই জুটির একমাত্র সন্তান আজাদ রাও খানের।
কিরণের আগে রিনা দত্তের সঙ্গে সংসার করেছেন আমির। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দুই সন্তান- ইরা খান ও জুনেইদ খান। ১৯৮৬ সালে রীনা দত্তের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল আমির খানের। ১৫ বছর ঘর-সংসার করার পর ২০০২ সালের ডিসেম্বরে রীনা দত্তের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানেন আমির খান। সেদিন পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিবাহবিচ্ছেদের কাগজে সই করেছিলেন তারা। এরপর তিনি বিয়ে করেছেন কিরণ রাওকে।