সন্ধ্যাবেলায় বিদায় নিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। নিভে গেল বাংলা গানের সন্ধ্যা-প্রদীপ। গীতশ্রী খ্যাত বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার সময়। কলকাতার একটি হাসপাতালে প্রায় মাস খানেক ভর্তি ছিলেন তিনি।
গানের এই কিংবদন্তির পৃথিবী থেকে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না তার ভক্তরা। শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয় বাংলাদেশেও তার জন্য চলছে শোকের মাতম। দুই বাংলার গানের জন্য ধ্রুবতারার মতো উজ্বল ছিলেন সন্ধ্যা। আধুনিক বাংলা গানকে তিনি পথ দেখিয়েছেন।
কিংবদন্তি এই শিল্পীর প্রয়াণে শোকাহত উপমহাদেশের আরেক কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। বাংলাদেশের এই গায়িকা সন্ধ্যার সঙ্গে অনেক কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। তার সাথে জড়িয়ে আছে সন্ধ্যার অনেক স্মৃতিও।
রুনা লায়লা বলেন, “চ্যানেল আই আমাকে আজীবন সম্মাননা দিয়েছিল কলকাতায়। সেই সম্মাননা ওনার হাত থেকে পেয়েছিলাম। জি বাংলা টিভির অনুষ্ঠানে বিচারক হয়েছিলাম আমি। একটা পর্বে গজল পরিবেশন করেছিলাম। প্রচারের পর তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘তোমার ফোন নম্বর আমার কাছে থাকলে আমি তোমাকে সাথে সাথেই ফোন করতাম অভিনন্দন জানানোর জন্য। এত সুন্দর করে গাওয়ার জন্য।”
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন রুনা লায়লা। বলেন, ‘আমার শ্রদ্ধা আর প্রণাম রইল তার জন্য’।
বাথরুমে পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার পর গত ২৭ জানুয়ারি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে। এরপর শুরু হয় তার শ্বাসকষ্ট। দুটি ফুসফুসেও সংক্রমণ ধরা পড়েছিল নন্দিত গায়িকার। চিকিৎসকরা নিবিড়ভাবে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর ফিরলেন না সন্ধ্যা।