শেয়ারবাজারে কখন এবং কীভাবে বিনিয়োগ করবেন। কীভাবে চিনবেন ভালো-মন্দ শেয়ার? কোন শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করবেন। কোনটায় ঝুকি বেশি কোনটায় কম ? এসব বিষয় নিয়ে আবু আলী লিখেছেন ‘শেয়ারবাজারের সহজপাঠ’ বইটি। খুবই তথ্য নির্ভর হওয়ায় বইটি পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্যোতিপ্রকাশ। তারাই বইটি প্রকাশ করেছে।
বইটি পাওয়া যাচ্ছে বাংলা একাডেমি চত্বরের ৬৩৪ নম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্টলে। সাধারণ মানুষ কীভাবে শেয়ারবাজারে ব্যবসা শুরু করবেন সে বিষয়টি সহজ, সরল ও নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ে। দীর্ঘ দিন শেয়ারবাজারে কর্মরত সাংবাদকর্মী হওয়ায় আবু আলীর লেখায় শেয়ারবাজারের প্রকৃত চিত্র সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে বইটিতে।
এতে বলা হয়েছে- দেশের মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়গুলো সংগ্রহ করে বৃহদাকার পুঁজির সংস্থান করা যায়। এই পুঁজিবাজারই দেশের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়গুলো বৃহদাকার শিল্পায়নে বিনিয়োগ করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বিনিয়োগকারীদেরও ব্যাপক লাভের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তবে এই বাজারে বিনিয়োগে সতর্ক না হলে বড় ধরনের লোকসান হতে পারে ।
এ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ‘শেয়ারবাজারের সহজপাঠ’ রচনা করেছেন লেখক। অনেক সময় বিনিয়োগকারীরা আবেগে বিনিয়োগ করে থাকেন। এতে লোকসানের মুখোমুখি হয়ে ক্ষতির শিকার হন। সব বিনিয়োগকারীই মুনাফা করতে চান। কিন্তু পারেন না। এজন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কথা বিবেচনা করেই লেখক এ বইটি লিখেছেন।
বইটির মূল্য : ১৮০ টাকা। মেলা উপলক্ষে ২৫% কমে ১৩৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে পুঁজিবাজার রিপোর্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন লেখক। বর্তমানে তিনি দৈনিক আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত। এছাড়া শেয়ারবাজারে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) সাধারণ সম্পাদক।
লেখকের এটি চতুর্থ গ্রন্থ। এরআগে ২০২১ সালের অমর একুশে বইমেলায় ভ্রমণ সংক্রান্ত ‘আকাশ থেকে জলে’, ২০২০ সালের একুশে বইমেলায় তার ‘মেঘ পাহাড়ের আলিঙ্গন’ এবং ২০১৮ সালে প্রথম গ্রন্থ ‘শেয়ারবাজারের প্রাথমিক ধারণা’ প্রকাশিত হয়।