তথ্য গোপন করে বাংলাদেশে এসেছিলেন বলিউডের বিতর্কিত তারকা। তথ্য মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, গত ২ মার্চ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সানি লিওনকে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে কিছু তথ্য গোপন করার কারন দেখিয়ে ৯ মার্চ আরেকটি প্রজ্ঞাপনে সেই অনুমতি বাতিল হয়। সেই হিসেবে সানির ঢাকার ঢুকতে পারার কথা নয়। তারপরও সানি বিমানবন্ধরে নেমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ঢাকায় উপস্থিতির জানান দেয়।
এ নিয়ে নানা বিকর্ত দেখা দিয়েছে। তাছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটসহ বেশ কিছু কট্টবাপন্থি ইসলামি গোষ্ঠি সানির আগমনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। এমনই এক পরিস্থিতিতে রোববার সকালে দেশ ছাড়লেন সানি।
প্রায় ১৯ ঘণ্টা অবস্থান শেষে রোববার সকাল ৯টা ২০ মিনিটের ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়লেন বলিউডের এ বিতর্কিত তারকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ‘গানবাংলা’ টিভির এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মাত্র একদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন সানি লিওনি।
‘নিষেধাজ্ঞা’ সত্ত্বেও কীভাবে বাংলাদেশে এলেন সানি লিওন সে প্রসঙ্গে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন বিভাগের ডিউটি অফিসার মো. খায়রুল গণমাধ্যমকে বলেন, ট্যুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশে এসেছেন সানি লিওন। তার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা ছিল না। তিনি আমেরিকার নাগরিক হিসেবে এসেছেন। তার কাছে বৈধ ভিসা ছিল। সব কাগজপত্র ঠিক থাকায় এ অভিনেত্রীর ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে।
তবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হলেও তার শুটিং করতে মানা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।
.......