শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে বন্ধ হয়ে আছে দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ইউএসটিসি)।
নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় কর্তৃপক্ষ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সমঝোতা হচ্ছে না। ফলে শিক্ষা জীবন নিয়ে সঙ্কটে পড়েছেন মেডিকেলসহ বিভিন্ন অনুষদের ৪ হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী।
বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্তি, সার্ভিস ল'র প্রণয়ন, মহার্ঘভাতা প্রদানসহ ৬ দফা দাবিতে ১৮ জুন থেকে আন্দোলন শুরু করে ইউএসটিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এক পর্যায়ে হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদেই তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা। এতে, বন্ধ হয়ে যায় সব ক্লাস ও পরীক্ষা। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ হাসপাতালের রোগীরা অন্যত্র চলে যাওয়ায় বিশাল এ বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে পড়ে জনশূন্য।
ক্যাম্পাসে প্রতিদিন সকালে আন্দোলনকারীরা মিছিল-মিটিং করছে। বাকী পুরো সময় ক্যাম্পাস পরিণত হয় ভূতুড়ে এলাকায়। বিশ্ববিদ্যালয বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন চরম সঙ্কটে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
এ অবস্থায় দ্রুত সমঝোতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক নুরুল ইসলামের মেয়ে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের মেম্বার সেক্রটারি ডাক্তার নীনা ইসলাম।
এ সঙ্কটের জন্য কর্তৃপক্ষের দুর্নীতিকে দায়ী করে আন্দেলনকারীরা বলছেন, রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় সমঝোতা হতে পারে।
জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় ১৯৯২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেক শিক্ষার্থী নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপসহ বিভিন্ন দেশের।