এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হারের দিক দিয়ে মেয়েরা এগিয়ে। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে ছেলেরা এগিয়ে। এবার মেয়েদের মধ্যে ৭৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ পাস করেছে। আর ছেলেদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। বুধবার সারাদেশে একযোগে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে ছেলেদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ হাজার ৭৮৭ জন। আর মেয়েদের মধ্যে পেয়েছে ৩১ হাজার ৮১৫ জন।
এবার উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৩৩। আর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী।
বিগত কয়েক বছরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও পাসের হারে খুব একটা পরিবর্তন দেখা যায়নি। চলতি বছরে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১ লাখ ২৯ হাজার ৯৭২ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ২ হাজার ৪৯৬ জন। পাসের হার ৭৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ২০১৩ সালে অংশ নেয় ১০ লাখ ১২ হাজার ৫৮১ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৭ লাখ ৪৪ ৮৯১ জন। পাসের হার ৭৪ দশমিক তিন শূন্য। আর ২০১২ সালে অংশ নেয় ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৭৩ জন। উত্তীর্ণ হয় ৭ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ জন। পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
পাসের শতকরা হিসেবে খুব একটা হেরফের না হলেও প্রতি বছর বেড়েছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা। এবছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন। যা গতবছরের তুলনায় ১২ হাজার চার'শ ৫ জন বেশি। তবে পাসের ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ এর ক্ষেত্রে ছেলেরা বরাবরই এগিয়ে আছে। ২০১৪ সালে ছেলেরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ হাজার ৭৮৭ জন। অন্যদিকে মেয়েরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১ হাজার ৮১৫ জন। ২০১৩ সালে ছেলেরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১ হাজার ৬৩৮ জন। আর মেয়েরা পেয়েছে ২৬ হাজার ৫৫৯।
বোর্ড ভিত্তিক হিসাবে ৮৪ দশমিক পাঁচ চার ভাগ শিক্ষার্থী পাস করে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। গতবারের প্রথম স্থানে থাকা সিলেট বোর্ড চলে গেছে দ্বিতীয় অবস্থানে। তৃতীয় অস্থানে রাজশাহী। গতবছরের চতুর্থ অস্থান ধরে রেখেছে দিনাজপুর। ৫ম বরিশাল। ৬ষ্ঠ অবস্থানে কুমিল্লা। সপ্তম চট্রগ্রাম। আর গতবারের ষষ্ঠ স্থানে থাকা যশোর বোর্ড চলে গেছে অষ্টম অবস্থান।
তবে আগের বছরের পাসের সব রেকর্ড অতিক্রম করছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। মাদ্রাসা বোর্ডে সবোর্চ্চ ৯৪ দশমিক ০৮ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছে। ২০১৩ সালে ছিল ৯১ দশমিক ৪৬। আর ২০১২ পাশের হার ছিল ৯১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
গত বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৮৪৯টি। এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৪৭টি। অন্যদিকে এবার একজনও পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৪টি। যা গতবছরের চেয়ে এটি কম।