ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় সাত ছাত্রলীগ কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের অনুসারী বলে জানা গেছে।
তারা হলেন- ইংরেজি বিভাগের আশিক ও মামুন, দর্শন বিভাগের শাহীন, উর্দু বিভাগের শাকিল, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের লিটন মাহমুদ, লোক প্রশাসন বিভাগের মেহেদী। জাফরের বিভাগ জানা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী জানান গতকাল শুক্রবার রাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
অভিযোগে যাদের নাম এসেছে সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে— এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই সমান অপরাধী নন। তাই অপরাধের মাত্রানুসারে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হবে পরে।
এ বিষয়ে অপরাধের মাত্রা ও শাস্তির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য তদন্ত কমিটি গঠনের নিয়ম থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা করেনি।
প্রয়োজন হলে তদন্ত কমিটি করা হবে জানিয়ে প্রক্টর বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত তারা কোনো ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এমনকি তদন্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলেও অবস্থান করতে পারবে না।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাবির অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র আল-আমিনকে টিএসসির সড়ক দ্বীপে বেধড়ক পেটায় ছাত্রলীগকর্মীরা। গাছের সঙ্গে ঠেকিয়ে তার মাথা থেতলে দেয় তারা। বর্তমানে আল-আমিন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।