ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিয়াস করিমের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আর নেয়া হলো না। শুক্রবার শহীদ মিনারে নেয়া ঠেকাতে সকাল থেকেই সেখানে অবস্থান নিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। আর এ অধ্যাপকের মৃত্যুতে কালোব্যাজ ধারন ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রেখে দিনব্যাপী শোক পালন করছে বিএনপি।
পিয়াস করিমকে নিয়ে বিতর্ক আর প্রতিরোধের মুখে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারে তার মরদেহ নেয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে আসে পিয়াস করিমের পরিবার।
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘর থেকে আজ সকাল ১০টায় তার মরদেহ ধানমণ্ডির বাসায় নেয়া হয়। নেমে আসে সেখানে শোকের ছায়া। ধানমণ্ডির বাইতুল আমান জামে মসজিদের সামনে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন, সেখানেই তার প্রথম জানাজা, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
শেষবারের মতো তাকে দেখতে আসেন বন্ধু, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীরা। আসেন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
এদিকে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থান নেয় বিভিন্ন সংগঠন। তাদের অভিমত স্বাধীনতাবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করায় অধ্যাপক পিয়াস করিমের মরদেহ শহীদ মিনারে আসতে পারে না। অধ্যাপক পিয়াস করিম মারা যাওয়ার পর সকলের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে বলে জানিয়েছিল তার পরিবার।