গত এক দশকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খুন হলেন তিন শিক্ষক, তারা সবাই ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ও প্রগতিশীল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মনে করছেন এসব হত্যাকাণ্ড একসূত্রে গাঁথা।
শিক্ষক ও নাট্যকর্মী প্রফেসর এসএম আবু বকর অভিযোগ করেন, প্রতিটি ঘটনার শিকার হচ্ছেন প্রগতিশীল শিক্ষকরা। আর এসব ঘটাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি জামাত-শিবিরচক্র।
সরকারের একার পক্ষে জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ দমন সম্ভব নয়— এজন্য সরকারি ও বিরোধীদল, শিক্ষক, জনগণ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর মোহাম্মদ নাসের, ও সিপিবি নেতারা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হত্যার ঘটনা নতুন নয়। ২০০৬ সালে খুন হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের। ওই ঘটনায় রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল শিবিরের তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতিসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অর্থনীতির অধ্যাপক ড. ইউনুসকে হত্যা করা হয়। ওই হত্যার ঘটনায় জেএমবির দুই সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: শনিবার বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম শফিউল ইসলামকে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।