প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সব বিষয়েরই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে— তবে এ ব্যাপারে কোনো তথ্য সরকারের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটাচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পরীক্ষার কক্ষে ঢোকার আগেই প্রশ্নপত্র পেয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় জেএসসি, এসএসসি থেকে উপরের সবগুলো পরীক্ষারই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ধরণের ঘটনা ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট, প্রশ্নপত্রের একাধিক সেট করা এবং সেই সঙ্গে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করেছে সরকার।
এসব উদ্যোগের পরও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটছেই । এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। গত দুদিনে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ি পিএসসির প্রায় সবগুলো পরীক্ষারই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। যদিও সরকারের কাছে এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশেষ সর্তকতার সঙ্গেই প্রশ্ন ছাপানো হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলাগুলোতে পাঠানো হয়। এরপরও প্রশ্নপত্র কিভাবে ফাঁস হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, সারাদেশ থেকে প্রতিবেদন নিয়েই পরীক্ষার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এবার প্রাথমিক ও এবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় সারাদেশ থেকে মোট ৩০ লাখ ৯৪ হাজার ২শ ৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। গত ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশের ৬ হাজার ৭৯১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা চলছে।