একাদশ শ্রেণির ত্রুটিপূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিপাকে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। ভুলের ছড়াছড়ি সেইসঙ্গে যোগ হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ও নিজ কলেজে জন্য ভর্তির ১০% কোটা। এ দুইয়ের চাপে প্রথম ধাপে ভর্তি থেকে বাদ পড়ছে জিপিএ ৫ পাওয়াও অনেক শিক্ষার্থী। এদিকে, ভর্তির নতুন পদ্ধতির কারণে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই ভর্তি হতে পারছে না পছন্দের কলেজে।
মেধা যাচাইয়ের নামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকার প্রহসন করছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের। পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে না পারলেও ধাপে ধাপে সকল শিক্ষার্থীই কলেজে ভর্তি হতে পারবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান।
একদিকে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের প্রায় দুই লাখ নম্বরপত্রের ভুল,অন্যদিকে একাদশ শ্রেণিতে নতুন প্রক্রিয়ায় ভর্তি পদ্ধতি। এই দুইয়ের চাপে পড়েছে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সাড়ে ১১ লাখ শিক্ষার্থী।
পছন্দের কলেজে তো নয়, কোনো কলেজেই প্রথম ধাপে ভর্তি হতে পারবে না এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। আদৌ ভর্তি হতে পারবে কিনা এই সংশয় নিয়ে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মুখ চেয়ে আছে অনেক জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থী।
তাদের অভিযোগ, মেধা যাচাই নয়, নতুন এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রহসন করা হচ্ছে। ভর্তির এ পদ্ধতিকে পুর্নবিবেচনার দাবি জানান তারা।
প্রতিবছর শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন নতুন নিয়ম করে সরকার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে— এ কথা উল্লেখ করে অভিভাবকরা বলেন, সব জায়গায় কোটা ব্যবস্থা চলতে থাকলে সব সময় পিছিয়ে থাকবে মেধাবীরা ।
নতুন পদ্ধতি হওয়ায় কিছুটা ভুল-ভ্রান্তি হয়েছে মেনে নিলেও কলেজে ভর্তি না হতে পারার পেছনে শিক্ষার্থীদেরই দায়ি করলেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের নাম আবু বক্কর ছিদ্দিক।
তিনি বলেন, জিপিএ ৫ পাওয়ার পরেও প্রথম ধাপে অনেক শিক্ষার্থীর ভর্তি না হতে পারার কারণ।