গত কয়েক বছরে এইচএসসিতে ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়লেও, এবার তাতে ভাটা পড়েছে। গতবারের চেয়ে পাশের হার কমেছে প্রায় ৯% এবং কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়াদের সংখ্যা। আর পাসের হার অন্যান্য বারের চেয়ে কমেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডেও।
বিগত কয়েক বছরের তুলনায় ২০১৫ সালে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি কমেছে পাশের হার। চলতি বছরে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ১০ লাখ ৬১ হাজার ৬১৪ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭২ জন। পাশের হার ৬৯.৬০%।
২০১৪ সালে অংশ নেয় ১১ লাখ ২৯ হাজার ৯৭২ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ১০ লাখ ২ হাজার ৪৯৬ জন। পাশের হার ৭৮.৩৩%।
২০১৩ সালে অংশ নেয় ১০ লাখ ১২ হাজার ৫৮১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৭ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯১ জন। পাশের হার ৭৪.৩০%।
আর ২০১২ সালে অংশ নেয় ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণ হয় ৭ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ জন। পাশের হার ৭৮.৬৭%।
পাশের শতকরা হিসাবের হেরফেরের পাশাপাশি কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪২ হাজার ৮৯৪ জন শিক্ষার্থী। যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার ৭০৮ জন কম। তবে পাশের ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ এর ক্ষেত্রে ছেলেরা বরাবরই এগিয়ে আছে।
২০১৫ সালে ছেলে শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ হাজার ২৯৩ জন। অন্যদিকে মেয়ে শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ হাজার ৬০১ জন।
২০১৪ সালে ছেলে শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ পায় ৩৮ হাজার ৭৮৭ জন। অন্যদিকে মেয়ে শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ পায় ৩১ হাজার ৮১৫ জন।
এদিকে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় পাসের হার কমেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে। মাদ্রাসা বোর্ডে সবোর্চ্চ ৯০.১৯% উত্তীর্ণ হয়েছে।
২০১৪ সালে পাশের হার ছিলো ৯৪.০৮% ও ২০১৩ সালে পাশের হার ছিলো ৯১.৪৬% এবং ২০১২ সালে পাশের হার ছিলো ৯১.৭৭%।