সিলেট শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের-শাবিপ্রবিতে বর্তমান উপাচার্যের অধীনে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নিবেন না বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
এতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে তবে ভর্তি কমিটি মনে করছে আন্দোলনের কারণে ভর্তি কার্যক্রম অনিশ্চয়তায় পড়বে না।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৪ই নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে চলছে শিক্ষকদের একাংশের আন্দোলন।
আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এরইমধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪ শিক্ষক ভর্তি প্রক্রিয়া দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রহমান
আন্দোলন বিরোধী শিক্ষক ড. আখতারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়কে জিম্মি করার চেষ্টা করছেন।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ড. নারায়ণ সাহা মনে করছেন, সিএসই বিভাগের সহযোগিতা পেলে ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।
সমস্যা সমাধান করা না গেলে এবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়াতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শাবিপ্রবিতে প্রতীকী অনশন করছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করবেন তারা।
এর আগে রোববার শাবিপ্রবিতে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সোমবারের কর্মবিরতি, মৌন মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি স্থগিত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ।
আর রোববার সকাল থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষকরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন এবং কালোব্যাচ ধারণ করে মৌন মিছিল নিয়ে উপাচার্য ভবনের সামনে সমাবেশ করেন।
এর আগে শাবিপ্রবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে দিনব্যাপী কর্মবিরতি, মৌন মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ। এছাড়াও শাহারিয়ারের মৃত্যুতে শোকর্যারলি করেছেন উপাচার্যের সমর্থক শিক্ষকরা।
গত ৩০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষকদের কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় উপাচার্য সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় ড. জাফর ইকবালসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক লাঞ্ছনার শিকার হন।