পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামোতে সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল পুনর্বহাল এবং জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকের পদ সৃষ্টির দাবিতে সারাদেশে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা।
সোমবার সারাদেশে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলেন, দাবি আদায়ে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারকে সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছে অন্যথায় ১ নভেম্বর শিক্ষাভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকরা বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সরকারের এ সিদ্ধান্ত শুধু পদের দিক থেকেই নয় সামাজিক ও আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
দাবি-দাওয়া দ্রুত মেনে নিয়ে শিক্ষকদের ক্লাসে ফিরে যেতে সরকার সহযোগিতা করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষকরা।
তবে ক্লাস বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করতে কোনো কোনো কলেজে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।
অষ্টম পে স্কেল ঘোষণায় সরকারি সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আর্থিকভাবে লাভবান হলেও আত্মমর্যাদার দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। ফলে নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পর থেকেই একে একে সর্বস্তরের শিক্ষক সমাজ বিভিন্ন সময় আন্দোলন প্রতিবাদ করে আসছেন।
এদিকে, একই প্রতিবাদে সারাদেশে একদিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা ও শিক্ষকরা।
তাদের দাবি সিলেকশন গ্রেড না থাকায় অধ্যাপকরা চতুর্থ গ্রেড থেকে অবসরে যাবেন এতে অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা ঊচ্চ পদগুলোতে আসবেন এটা বৈষম্যমূলক। আন্দোলনরত শিক্ষকরা অভিযোগ করেন দাবি না মেনে নতুন বেতন কাঠামোতে বিভিন্ন দিক থেকে তাদেরকে অবনমন করা হয়েছে বলে জানান ইডেন মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল হুসনেআরা।
বর্তমান বেতন কাঠামোতেই শিক্ষকদের ন্যায় সঙ্গত ও যৌক্তিক। দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।