অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় দেশব্যাপী একযোগে এ পরীক্ষা শুরু হয়।
প্রথম দিন জেএসসিতে বাংলা প্রথমপত্র এবং জেডিসিতে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জাতীয় পর্যায়ের এ পরীক্ষায় এবার অংশ নিচ্ছে ২৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জেএসসিতে ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৪৪৭ জন এবং জেডিসিতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ৫৮ হাজার ৪৮৬ জন।
বিদেশের ৮টি সহ মোট দুই হাজার ৬২৭টি কেন্দ্রে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে দুই লাখ ৩৫ হাজার ২৪১ জন।
সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এবার জেএসসি ও জেডিসিতে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। ছাত্র ১০ লাখ ৮২ হাজার ৬৭০ জন ও ছাত্রী ১২ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৩ জন।
এদিকে, পরীক্ষা উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ২০১০ সাল থেকে জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সারাদেশে ব্যাপক উৎসবের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ভীতি কেটে গিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে শিক্ষার্থীরা।
পরীক্ষায় শ্রবণ প্রতিবন্ধীসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ২০ মিনিট বেশি সময় পাবেন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পলিসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই তারা ব্যবহার করতে পারবেন শ্রুতি লেখক।
আর অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম পরীক্ষার্থীরা পাবেন ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময়, চাইলে তাদের সঙ্গে অভিভাবকরাও আসতে পারবে।