নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের "হিরন্ময় মেলবন্ধন"।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে হাসি-আড্ডা, গান-কবিতা আর স্মৃতিচারণায় জমে উঠেছে মিলনমেলা। পুরনো বন্ধুদের নিয়ে এই মুখর আড্ডায় ক্ষণে ক্ষণে তারা হারিয়ে যাচ্ছেন নানা রঙের সেই দিনগুলোয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স একশোর কাছাকাছি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৬৭। আর এ মিলনমেলায় জড়ো হওয়াদের বয়স যাই থাক আজ সবার মাঝে তারুণ্যের উচ্ছ্বলতা।
নিজেদের মিলনমেলা তাই নিজেদের ইচ্ছেমতো আনন্দ। হাসি-আড্ডা, স্মৃতিরোমন্থন।
উতারা জানান আমরা চাই প্রতি ২ বছর অন্তর অন্তর এই মিলন মেলাটে যেন করা হয়। তারা আরো জানান আমরা ঢাবিতে পড়াশোনা করেছি তারা সবাই গৌরববোধ করি।
আজকের প্রাণের মেলা দেখা মনে হচ্ছে আমাদের মেলবন্ধন রয়েই গেছে।
গতবারের অনেককে এবার না দেখে না পেয়ে অনেকেরই আফসোস। আবার কেউ কেউ পুরনো অনেক বন্ধুকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা।
তবে সবার প্রত্যাশা, বারবার ফিরে আসুক এমন মহামিলনযজ্ঞ।
পর্যটনমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র রাশেদ খান মিলন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে চলেছে আরো সুন্দরভাবে আরো বড়ভাবে এটা আমাদের আনন্দ যোগায়।
ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘এ মিলনটা গুরুত্বপূর্ণ, পুরনো ইতিহাসটাকে ফিরে পাচ্ছি, আমরা ভরসা পাচ্ছি আমরা এখনো অনেকে আছি একসঙ্গে।’
হিরন্ময় মেলবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীত ও পতাকা উত্তোলণের মধ্য দিয়ে। এরপর বক্তব্যপর্বে অতিথিরা, সমস্ত প্রতিকূলতা জয় করে শতবর্ষ পার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সগৌরবে আরো অনেক দূর এগিয়ে যাক- এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারা থাকবেন তারা প্রাণ ভরে নিশ্বাস নেবেন ওইদিন, একটা মস্ত বড় স্তর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিক্রম করবে ২০২০ সালে।’
দিনভর এই সম্মিলনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে মুখর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠ।