গুলশানে হামলাকারী জঙ্গিদের কয়েকজন জাকির নায়েকের অনুসারী এ তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পরপরই সবার নজর পড়ে পিস টিভির দিকে—এক পর্যায়ে বন্ধ হয় পিস টিভির সম্প্রচার। আলোচনায় আসে দেশের বিভিন্ন পিস স্কুলও। সম্প্রতি বরিশালের পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদে জামাতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।
এর পরপরই পদত্যাগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ। চাকরি ছেড়েছেন, আরও কয়েকজন শিক্ষক। এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটিকে নজরে রাখা হয়েছে।
রাজধানী ঢাকা ছাড়াও পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে বরিশালে। বরিশাল শহরের কলেজ অ্যাভিনিউ'র ভাড়া বাড়িতে গত দেড় বছর ধরে কেজি থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।
প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর এই স্কুলে বাংলা ইংরেজি ও আরবি শিক্ষা দেয়া হয়ে থাকে।পিস টিভির লোগের সঙ্গে এর মিল থাকলেও কর্তৃপক্ষ বলছেন, এর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
অভিভাবকরা জানিয়েছেন, ধর্ম শিক্ষা দেয়া হয় বলে সন্তানদের এখানে ভর্তি করেছেন।
তবে শিক্ষকদের দাবি, যতোটুকু দরকার ততটুকু আরবি শিক্ষা দেয়া হয়ে থাকে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পরিচালনায় জামাত সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন বিতর্কে এরই মধ্যে পদত্যাগ করেছেন স্কুলটির অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন। এরপর থেকে স্কুলে আসছেন না আরো কয়েকজন শিক্ষক।
কর্তৃপক্ষ অবশ্য জামাত সংশ্লিষ্টতার সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটিকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।