ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একাডেমিক ভবন সম্প্রসারণ ও আবাসিক হল নির্মাণের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
এ অবস্থায় হল উদ্ধার ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বলছে, অনেকাংশে দাবি পূরণ হওয়ায় হয়তো শিগগিরই স্তিমিত হয়ে পড়বে চলমান ছাত্র আন্দোলন। এর পরে হয়তো আন্দোলনের প্রয়োজন পড়বে না।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে অনেকে এখনো পুরনো ঢাকার কারাগারের পরিত্যাক্ত জায়গায় হল নির্মাণ ও বেদখল হল উদ্ধারের দাবিতে অনড়।
আর কারাগারের পরিত্যক্ত জায়গায় হল নির্মাণের ঘোষণা না দেয়ায় এর ঐতিহ্য সংরক্ষণ নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন অনেকে।
উল্লেখ্য, আবাসিক হল পুনরুদ্ধার ও কারাগারের পরিত্যক্ত জায়গায় হল নির্মাণের দাবিতে টানা একমাসেরও বেশি সময় আন্দোলন করে আসছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দাবি করে আসছিলেন তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে জগন্নাথের একাডেমিক ভবন সম্প্রসারণ ও আবাসিক হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।