চলতি বছর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা আগামী ১ নভেম্বর হবে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দায়িত্ব না নেয়ায় এবারো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা হবে--এ কথা উল্লেখ করে এ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিষয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বা অনিশ্চিয়তার কিছু নেই।
তিনি বলেন, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হওয়ায় এবার জেএসডি-জেডিসি পরীক্ষা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে হওয়ার কথা ছিল ২০ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে তারা ‘না’ বলে দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এ পরীক্ষার দায়িত্ব আমাদের নিতে বলেছে—যেহেতু তারা (গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) অপারগতা প্রকাশ করেছে, আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি, এই পরীক্ষা আগের মতই নেয়া হবে আশা করছি এটা নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।
আগামী ১ থেকে ১৭ নভেম্বর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার সূচি নির্ধারিত আছে।
এবার দেশের দুই হাজার ৭৩৪টি কেন্দ্রে জেএসসি-জেডিসিতে ২৪ লাখ ১০ হাজার ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিবে। এরমধ্যে ১১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ জান ছাত্র এবং ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৮৫৩ জন ছাত্রী।
আট বোর্ডের অধীনে এবার জেএসসিতে ২০ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭২ জন পরীক্ষা দেবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
পরীক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনারা কোনোভাবেই জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকবেন না, অনিশ্চিয়তায় থাকবেন না। নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে ফল দেয়া হবে।
শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসোইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।