মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মান বাড়াতে শারীরিক শিক্ষা, চারু-কলা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা বিষয় হিসেবে পাবলিক পরীক্ষায় সম্পৃক্ত না রাখার সুপারিশ করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা। ২০১৯ সাল থেকে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ারও সুপারিশ করেছেন তারা।
সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাবিদদের সুপারিশ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সুপারিশগুলোর মধ্যে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, খেলাধুলা এবং চারুকলা ও ক্যারিয়ার শিক্ষাকে পাবলিক পরীক্ষায় অন্তর্ভূক্ত না করে এগুলোকে বিদ্যালয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করার কথা বলা হয়েছে।
বহুনির্বাচনী প্রশ্ন-এমসিকিউ ও সৃজনশীল প্রশ্নের মান উন্নয়নে আইটেম ব্যাংক করা, এবং নবম ও দশম শ্রেণীর কয়েকটি বই পরিমার্জন করে আকর্ষণীয় ও সুখপাঠ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়াও ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ওই ফলাফলের ভিত্তিতে পরীক্ষামূলকভাবে মানসম্মত করা। এ সব সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষাখাতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।