মানুষের ভুলত্রুটি হতেই পারে— তবে কিছু ভুল হওয়া উচিত ছিল না এরজন্য বিচার হওয়া উচিত— যারা ভুল করেছেন তারা রেহাই পাওয়ার যোগ্য নন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
গত ১ জানুয়ারি প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ে বিভিন্ন ধরনের ভুলভ্রান্তি ধরা পড়ে, কিছু আলোচিত গল্প-কবিতা বাদ পড়েছে। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
এ সময় তিনি বলেন, ভুল ত্রুটি হতেই পারে— তারপরও বই পাচ্ছে আনন্দ করছে, উৎসব করছে কেবল ভুল তুলে ধরে এগুলোকে নিরুৎসাহিত করে ছাত্র-ছাত্রীদের হতাশ করে দেয়া ঠিক না।
ভুলত্রুটির বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) একটি কমিটি করেছে—উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, এরমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রাথমিকভাবে দুই কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করে ওএসডি করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবদনের আলোকে দায়ী সবার বিরুদ্ধে ’পরিপূর্ণ শাস্তি দেয়া হবে এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, যারা ভুলত্রুটি করেছেন রেহাই পাওয়ার যোগ্য নন।
এনসিটিবির পক্ষে ব্যাখ্যা দেন মন্ত্রী এভাবে, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নের কারণে আন্তর্জাতিক টেন্ডারসহ নানা জটিলতায় প্রাথমিকের বই পরিমার্জন ও ছাপানোর ক্ষেত্রে সময় কম পেয়েছে তারা।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর ভুল-ত্রুটির সংশোধনী দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
পাঠ্যবইয়ে কিছু ভুল হওয়া কোনোভাবেই উচিত হয়নি স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই ভুলের অযোগ্যতা ক্ষমা করার মতো নয়।
বছরের প্রথম দিন ৪ কোটি ৩৩ লাখ ৫৩ হাজার ২০১ জন শিক্ষার্থীর হাতে এবার ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার বই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে সরকার। ওইসব বইয়ে এবার ভুলের ছড়াছড়ির কারণে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যা পক সমালোচনা হচ্ছে।