রাজধানীসহ সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। মাদ্রাসা, কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার সর্বমোট ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে— যা গতবারের তুলনায় প্রায় ৩৫ হাজার কম।
রোববার সকালে রাজধানীর ঢাকা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, প্রশ্ন ফাঁস রোধে আগামী বছর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের অধীনে প্রশ্ন ছাপিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।
রোববার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রগুলোর গেটে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০টায় শুরু হয় বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা।
সারাদেশ থেকে এইচএসসিতে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ লাখ ৮২ হাজার ৭৮৩ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলীমে ৯৯ হাজার ৩২০ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে বিএম এবং ডিআইবিএসে- ১ লাখ ১ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
এর মধ্যে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৬৯৭ জন ছাত্র এবং ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৯ জন ছাত্রী। সবমিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন। গত বছরের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৩৪ হাজার ৯৪২ জন।
প্রথম দিন রাজধানীর ঢাকা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কেন্দ্রের বাইরে অভিবাবকদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি।
সারাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে এ সময় জানান তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশ্নপত্র ফাসঁরোধে আগামী বছর থেকে আঞ্চলিকভাবে প্রশ্ন ছাপিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।
প্রশ্নপত্র ফাসঁসহ যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রশ্নপত্র ফাসঁসহ যেকোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সরকারকে আরো অবস্থানে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা।