সমাপনী-পিইসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।
পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে আরো মন্ত্রী বলেন, সরকার না চাইলে এ পরীক্ষা মন্ত্রণালয়ের বন্ধ করার সুযোগ নেই।
সারাদেশে নকলমুক্ত ও কোনও রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়া পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে জানিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সারাদেশে রোববার সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী-পিইসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা— এ বছর সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে প্রায় ৩১ লাখ শিক্ষার্থী।
সকালে রাজধানীর আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তবে এ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে শিশুশিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ এবং কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে প্রাথমিকের এ পর্যায়ে পরীক্ষা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
প্রাথমিক পর্যায়েও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ যোগাতে গত সাত বছর প্রাথমিক সমাপনী ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন করে আসছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় সকাল ১১টা থেকে সারাদেশে শুরু হয় পিইসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা।
কিন্তু এ পর্যায়ে পরীক্ষা নেয়া শিশুদের জন্য বড় ধরনের মানসিক চাপ বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
তাদের আরও অভিযোগ এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা কমে গেছে শিশুদের পড়াশোনা নির্ভর করছে কোচিংয়ের ওপর।
তাই এ পরীক্ষা দ্রুত বন্ধ করে দেয়ার দাবি জানান তারা।
তবে এ অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাকসুদা বেগম জানান, কোনো শিক্ষকের কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই— অভিভাবকরাই শিক্ষার্থীদের চাপে রাখে।