কোচিং বাণিজ্য বন্ধে শিগগিরই আসছে "শিক্ষা আইন"— সংসদের আগামী অধিবেশনেই পাস হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষা সচিব মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন।
আইনটি পাস হলে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষা সচিব।
এদিকে রাজধানীতে কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা দুদক নিয়েছে তার সব ধরনের সহযোগীতা শিক্ষা মন্ত্রণালয় করবে বলেও জানান শিক্ষা সচিব।
শিক্ষার সঙ্গে জড়িত থেকে অপরাধ করলে শাস্তি থেকে কেউ মুক্তি পাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কোচিং ব্যবসার সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জড়িত থাকার বিষয় নতুন নয়। তবে বেসরকারি পর্যায়ের পাশাপাশি এখন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও জড়িত থাকার নজির দেখা যাচ্ছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘ তালিকা নিয়ে তদন্তে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
এরই মধ্যে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং ধানমন্ডি গর্ভনমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলসহ নামী-দামী আট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৭ শিক্ষক-শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও উদ্যোগ নিয়েছে দুদক।
দুদকের এই উদ্যোগে সব ধরনের সহাযোগিতা করার কথা জানিয়েছে শিক্ষা সচিব মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন বলেন, শিক্ষার সঙ্গে জড়িত থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করার কোনও সুযোগ দেয়া হবে না।
এদিকে, দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ঝুলে থাকা "শিক্ষা আইন" চূড়ান্ত করার কথাও জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব।
সংসদের আগামী অধিবেশনেই আইনটি পাস হওয়ার কথা রয়েছে আর এটি হলে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।
কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগের চিঠি এরই মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে দুদক।