দেশব্যাপী পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ— প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে সাড়ে ৩৫ কোটি পাঠ্যবই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
মন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে নতুন বই জেলা-উপজেলায় পাঠানো শুরু হয়ে গেছে। বরবরের মতো এবারো বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পাবে শিক্ষার্থীরা।
তিনি আরো জানান হেফাজতের দাবিতে নয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শেই পরিবর্তন আনা হয়েছে পাঠ্যপুস্তকে।
সোমবার সকালে প্রেস পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখতে সকালে রাজধানীর মাতুয়াইলে ছাপাখানা পরিদর্শনে যান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেখানে বেশ কয়েকটি ছাপাখানা পরিদর্শন করেন এবং প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
পরে সাংবাদিকদের জানান, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এবার মোট ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২টি পাঠ্যবই ছাপানো হয়েছে। দেশের প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থীর মাঝে বছরের প্রথম দিনে এ বই বিতরণ করা হবে পাঠ্যপুস্তক উৎসবের মাধ্যমে।
তবে গতবছর বই নিয়ে যে সমালোচনা হয়েছে তার জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন, বই সংশোধনের জন্য কমিটি বছর জুড়েই সুপারিশ করে থাকে— সে অনুযায়ী ভুল ত্রুটি সংশোধনের প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে।
আর প্রকাশকরাও জানান, এরইমধ্যে তারা ছাপানো নতুন বই সরকারের কাছে সরবরাহ করেছেন— সংকটের কোনো সুযোগ নেই।
চলতি মাসের মধ্যেই বই সকল জেলা- উপজেলায় পাঠ্যবই পৌঁছে যাবে— যা ইংরেজি নববর্ষে পাঠ্যপুস্তক উৎসব করে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে।