তিনদিন পর আমরণ অনশন ভাঙলেন বেতন ও গ্রেড বৈষম্য দূরের দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকরা। শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী শহীদ মিনারে গিয়ে শিক্ষকদের অনশন ভাঙান। আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ৪০ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তবে অনশন কর্মসূচি স্থগিত করলেও, দাবি আদায়ে আলোচনা চালিয়ে যাবেন বলে জানালেন শিক্ষক নেতারা।
সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি সহকারি শিক্ষক রয়েছেন। এই শিক্ষকরাই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অধিকার আদায়ে আমরন অনশন করেন। শীতের ভেতরে খোলা আকাশের নিচে অনশন চালিয়ে যান শিক্ষকরা।
টানা অনশনে ৪০ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আবার অনেকে হাতে সেলাইন নিয়েই অনশনে থাকেন।
শিক্ষকরা বলছেন, ২০১৩ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়।
প্রধান শিক্ষকের চাইতে চার ধাপ পিছিয়ে থাকার কথাও জানান তারা বলেন, এটি একটি মর্যাদার লড়াই।
দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান শিক্ষক নেতারা।
পরে সোমবার বিকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে ঘন্টাব্যাপী আলোচনা করেন শিক্ষকরা নেতারা। সন্ধ্যায় মন্ত্রী শহীদ মিনারে যান। সেখানে তিনি পানি ও ফলের জুস পান করিয়ে শিক্ষকদের অনশন ভাঙ্গেন।
বেতন গ্রেডের এ সমস্যা সমাধানে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।