এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনের মতো আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ পর্যন্ত ৯০ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিক্ষক নেতারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া তারা ঘরে ফিরে যাবেন না। ২৬ ডিসেম্বর থেকে পাঁচদিন টানা অবস্থান কর্মসূচি শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর শিক্ষক-কর্মচারীরা আমরণ অনশন শুরু করেন।
স্যালাইন নিয়েও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন স্কুল থেকে আরো শিক্ষক-কর্মচারি আন্দোলনে এসে যোগ দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, শিক্ষকদের এ অনশনে সংহতি জানিয়েছেন বাম রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি বিশিষ্ট জনেরা।
গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে স্বীকৃতপ্রাপ্ত সব মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থার কর্মসূচি পালন করেছেন।
প্রসঙ্গত: সরকার স্বীকৃত সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবিতেই এ আন্দোলন।
স্বীকৃতি পেলেও নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা পান না। সারাদেশে এমন নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান আছে ৫ হাজার ২৪২টি।
এসব শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ৭৫ থেকে ৮০ হাজার। বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৪ লাখের বেশি। সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়।