প্রশ্নফাঁস বন্ধে সরকারের জন্য অপেক্ষা না করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে— এমন অভিমত প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তারা বলেন, অনিয়ম করে ভালো ফলাফল হলেও ভবিষ্যতে তা কাজে আসবে না। জাতিকে মেধাশূন্য করতেই একটি চক্র প্রশ্ন ফাঁস করছে।
শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ১৭তম বার্ষিক "মুক্তির উৎসব" অনুষ্ঠানে এসব কথা উঠে আসে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র মাঠে ১৭তম বার্ষিক "মুক্তির উৎসব" অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এতে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
পতাকা উত্তলন, জাতীয় সংগীত, দেশের গান ও নৃত্য দিয়ে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান। এসময় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধংস করে দিতেই প্রশ্ন পত্র ফাঁস করা হচ্ছে। একাত্তরে যেমন বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে জাতিকে মেধাশূণ্য করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।
এ সময় অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন, প্রশ্ন ফাঁস করে পরীক্ষায় উত্তির্ণ হতে পারলেও ভালো বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তী হওয়া যায় না। বলেন, শিক্ষার্থীরা চাইলেই এক বছরের মধ্যে প্রশ্ন পত্র ফাঁস বন্ধ করা সম্ভব।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক বলেন, এমন ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে যাতে চিরতরে প্রশ্ন পত্র ফাঁস বন্ধ হয়ে যায়।