আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় দুপক্ষের সংঘর্ষের পর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-রুয়েটের ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে।
গতকাল গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবদুল হামিদ হলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম রহমান নিবিড় ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহফুজুর রহমান তপুর সমর্থকরা।
এসময় তিনটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, আহত হন আটজন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনার পর রাতেই রুয়েট-ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্রীয় কমিটি।
পাশাপাশি নাঈম রহমান ও মাহফুজুর রহমান তপুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।
নোটিশে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
মতিহার থানার ওসি শাহাদত হোসেন খান বলেন, এক ‘সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতাকে সম্মান না দেখানোর’অভিযোগ নিয়ে রাতে জটিলতার সূত্রপাত হয়।
রাত সোয়া ১১টার দিকে রুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম রহমান নিবিড় ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহফুজুর রহমান তপুর সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শুরু হয় হাতাহাতি। এরপর সভাপতির সমর্থকরা জড়ো হয়ে হলের গেট বন্ধ করে দেয় এবং অন্যপক্ষের সমর্থকদের পিটিয়ে জখম করে। রাত সোয়া ১২টার দিকে পুলিশ ও নগর ছাত্রলীগের নেতারা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
হলের ভেতরে সংঘর্ষ চলাকালে তিনটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পরে আহত অবস্থায় আটজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিকুল ইসলাম শফি জানান, ওই আটজনের মধ্যে মিতুন নামের একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর রানা, রাজন, আশিক, অর্ণব, আবির, রাজ ও মাহাথিকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
তারা সবাই রুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহফুজুর রহমান তপুর সমর্থক।
মতিহার থানার ওসি শাহাদত হোসেন খান বলেন, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ক্যাম্পাসে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।