কাল-সোমবার থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।
এবার মোট ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার পাশাপাশি এবারই প্রথম লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ হবে প্রশ্নপত্রের সেট। এছাড়া ত্রিশ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশে বাধ্যবাধকতা আনা হয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমেও যাতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা না ঘটে সেদিকেও নজরদারি থাকবে বিটিআরসির।
গত কয়েক বছর ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ও সদ্য শেষ হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় প্রায় প্রতি বিষয়েরই প্রশ্নফাঁসের পরে এইচএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে নড়েচড়ে বসেছে সরকার।
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারের পাশাপাশি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে দেশের দশটি শিক্ষাবোর্ড। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বাইরেও প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে যতো ধরনের প্রস্তুতি নেয়া যায় তার সবই নেয়া হয়েছে বলে শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এবারই প্রথম পরীক্ষার দিন সকালে লটারি করে প্রশ্নপত্রের কোন সেটে পরীক্ষা হবে তা নির্ধারণ করা হবে। সেই সঙ্গে কেন্দ্রসচিব ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না।
ট্রেজারি বা থানা থেকে কেন্দ্রসচিবসহ পুলিশ পাহারায় কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌঁছানো হবে। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, কেন্দ্রসচিব ও পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বিধি অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা হবে। পরীক্ষা চলাকালে ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষার্থী ছাড়া সর্বসাধারনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছে পুলিশ।
এবার সারাদেশে মোট আড়াই হাজার কেন্দ্রে একসঙ্গে পরীক্ষা হচ্ছে। আর তাতে অংশ নিচ্ছে ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭জন শিক্ষার্থী। এবারও ত্রিশ মিনিট আগেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে। যদি কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষা শুরুর ত্রিশ মিনিট পরে কেন্দ্রে আসেন তবে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও দেরিতে আসার কারণ রেজিস্টারে লিখে রাখতে হবে। আর কেন্দ্রে কোনো ব্যক্তি স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।
মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ দেশের দশ শিক্ষাবোর্ডে ২ এপ্রিল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।