পরীক্ষা যাতে নকলমুক্ত ও প্রশ্নপত্র ফাঁস না হয় সেই জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সোমবার সকালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস নিয়ে সত্য-মিথ্যা নানা কথা হয়েছে এগুলো মোকাবিলা করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই।
এর আগে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে প্রশ্নপত্রের খাম অবমুক্ত করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় শিক্ষা সচিবসহ কলেজের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
কয়েকজন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের পরে হলে প্রবেশ করেছে—এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১০ জন দেরি করেছে। কেন্দ্রের নিয়মানুসারে তাদের রোল নম্বর ও কলেজসহ সব তথ্য নিয়ে পরীক্ষার হলে পৌঁছে দিয়েছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।
মন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে পরীক্ষার সিট নির্ধারণ বসানো হয়েছে। সব জায়গায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে যদিও সেটা অনেক কঠিন বিষয় ছিলো। আশা করছি এ বছর প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না। যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় তাহলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভবিষ্যতে পরীক্ষাপদ্ধতিতে ব্যাপক সংস্কার ও প্রশ্নপত্রের এমসিকিউ অংশ তুলে দেয়ার ইঙ্গিত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাজ প্রাথমিকভাবে শুরু করেছি। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই তা করা হবে। এ বিষয়ে জনমত গঠন করার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানান।
কোচিং সেন্টারগুলো খোলা থাকার বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় নয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইসিটি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছে। সবাই খুব সচেষ্ট রয়েছে।
সারাদেশে একযোগে সকাল ১০টা থেকে ২ হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
এ পরীক্ষায় এবার ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে; যা গতবারের চেয়ে ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৭১ জন বেশি।