শিক্ষা

কোটা সংস্কার: প্রজ্ঞাপন জারি না হলে রোববার থেকে আন্দোলন

প্রজ্ঞাপন চেয়ে মানববন্ধন

 ঢাবিতে কোটা বাতিল চেয়ে প্রজ্ঞাপনের দাবিতে মানববন্ধন
ঢাবিতে কোটা বাতিল চেয়ে প্রজ্ঞাপনের দাবিতে মানববন্ধন

কোটা বাতিল করার ঘোষণার দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে বুধবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ঘোষণার দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় বিক্ষোভ শেষে টিএসসি এলাকায় এ কর্মসূচিতে হাজারো শিক্ষার্থী অংশ নেন।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’, স্লোগান দিয়ে তারা টিএসসি এলাকার রাস্তা বন্ধ করে কর্মসূচি পালন করছেন।

কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে চূড়ান্ত নির্দেশনা এখনো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পায়নি জানান জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে— আশা করছি শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

গতকাল বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ছাত্র সমাজের সঙ্গে চক্রান্ত শুরু হয়েছে। আমরা বলে দিতে চাই ছাত্র সমাজ কোনও চক্রান্ত মেনে নিবে না। আপনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) অতি দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে ছাত্র সমাজকে শান্ত করুন। তারা এখন ক্ষুব্ধ। নতুবা তারা আবার রাজপথে নেমে আসবে। আমাদের আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও অহিংস। সামনে যে আন্দোলন চলবে সেটিও শান্তিপূর্ণ হবে। আমরা বঙ্গবন্ধুর অহিংস আন্দোলনের চেতনায় বিশ্বাসী।

সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরু।

এ সময় তিনি বলেন, এ প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে এবং কাল- বুধবার সকাল ১১টায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে।

এছাড়া ভিসির বাসায় হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানান তিনি।

নুর বলেন, আমরা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ এপ্রিল সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করি। কিন্তু সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ও কয়েকজন মন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ছাত্র সমাজ আবার ফুঁসে ওঠে। তারপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন কোটা বাতিলের।

ছাত্র সমাজ প্রজ্ঞাপন জারির জন্য অপেক্ষা করে এবং আনন্দ মিছিল করে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ২৭ দিন পার হলেও এখনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুই দুইবার কোটা বাতিলের ঘোষণা দেয়ার পরও এখনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে শ্রদ্ধাশীল তাই আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলবো আপনি অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করে ছাত্র সমাজের মধ্যে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে তাদের শান্ত করুন।

এর আগে ২৬ এপ্রিল কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন।

আর ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়নের আলটিমেটাম দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। এ সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ১ মে থেকে আবার আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা। এমন অবস্থায় ২৭ এপ্রিল আন্দোলনকারীদের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীমের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগ নেতাদের অনুরোধে ৭ মে পর্যন্ত আলটিমেটামের সময় বাড়ান আন্দোলনকারীরা।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ফয়সাল আহমেদ এর নতুন বই ‘মুক্তিযুদ্ধে নদী’

রাহিতুল ইসলামের উপন্যাস ‘বদলে দেওয়ার গান’

ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

২০২৩ সালে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে

ভারতের ইন্দিরা গান্ধী স্বর্ণপদক পেলেন এম মিরাজ হোসেন

এসএসসি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের তথ্য চেয়েছে মাউশি

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ