কোটা সংস্কার আন্দোলনে হামলার প্রতিবাদ এবং গ্রেপ্তার ছাত্রদের মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শিক্ষক-ছাত্রদের সমাবেশ কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হয়েছে।
হামলাকারীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে।
রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে শিববাড়ি মোড়ে শেখ রাসেল টাওয়ারের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
সমাবেশের একপর্যায়ে শিক্ষক ও ছাত্ররা মিছিল বের করলে সেখানেও হামলা হয়। তারা ছাত্রীদের মারধর করেছে, ধাওয়া ও ধাক্কা দিয়ে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয় তারা।
ঢাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক বলেন, মানববন্ধনের শেষ পর্যায়ে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা আমাদের ঘিরে ফেলে। পরে আমরা রাজু ভাস্কর্যের দিকে যাওয়ার পথে শিববাড়ি মোড়ে শেখ রাসেল টাওয়ারের সামনে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় এবং আমাদেরকে লাঞ্ছিত করে।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রথম থেকে মানববন্ধনে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেছে। তারা আমাদের শিক্ষকদেরকে জামাত-শিবির বলে অপমান করেছে। আমরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় হামলা চালায়। সাংবাদিকরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করে। এসএম হলের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সায়েম সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলে।’
এই বিষয়ে সাংবাদিকরা সায়েমের কাছে জানতে চাইলে তিনি দৌঁড়ে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
হামলার ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ভিসির প্রক্টরিয়াল বডির লোকজন গিয়ে বহিরাগতদের চলে যেতে মাইকিং করে। তবে প্রক্টরিয়াল বডির লোকজন তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি।
শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক তানজীম উদ্দীন খান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক, আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।