নিরাপদ সড়কের দাবিতে টানা পাঁচ দিনের মতো রাস্তায় নেমেছে শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর আসাদ গেট, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় এসে জড়ো হয় শিক্ষার্থীরা। বেলা ১১টার দিকে বিভিন্ন প্লাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে তারা। রাস্তায় যানবাহন চলাচল সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করছে শিক্ষার্থীরা।
ট্রাফিক-ব্যবস্থাপনাকে বশে আনতে আজকেও লাইন ধরে যান চলাচল করতে মাইকিং করছে শিক্ষার্থীরা।
গত রোববার ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে শিক্ষার্থীরা।
এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ওরফে রাজীব (১৭) এবং একই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম (১৬)।
সেই থেকে টানা পাঁচ দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বাইরেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে বিক্ষোভ করছে তারা। প্লাকার্ড হাতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, নিরাপত্তার দাবিতে শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তাদের দাবি, তারা ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারছেন না। তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।
বুধবার গ্রেপ্তার করা হয় জাবালে নূর পরিবহনের দুর্ঘটনা ঘটানো বাসের মালিক শাহাদৎ হোসেন ও চালক মাসুম বিল্লাহ। বাতিল করা হয়েছে জাবালে নূর পরিবহনের রুট পারমিট ও নিবন্ধন।
রাস্তায় বাসচাপায় শিক্ষার্থী হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রোববার থেকেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছে। আন্দোলনের সময় চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করছে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে বেশ কিছু যানবাহনের ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে ঢাকার বাইরেও।