ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্রলীগ ছাড়া আর কোনো সংগঠনই বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি।
ডাকসুর গঠনতন্ত্রে নির্বাচন করার বয়স ত্রিশের মধ্যে দেয়া আর ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের দৌরাত্বের কারণে হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ ছাত্রদলসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলোর।
তবে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, কর্মী সংকটের কারণেই অনেকের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি।
ডাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে ২৫টি এবং হল সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৩টি পদ রয়েছে।
ডাকসুর ২৫টি পদের জন্য দুইশোর বেশি প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আর হল সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন পাঁচ শতাধিক প্রার্থী।
তবে, ডাকসুর কেন্দ্রীয় ২৫টি পদের জন্য সক্রিয় সকল সংগঠন পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারলেও বিশ্বদ্যালয়ের হলগুলোর জন্য নির্ধারিত ১৩টি পদের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ ছাড়া আর কেউ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি।
ডাকসুর গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অবস্থান না থাকার কারণে হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ছাত্রদল।
আর বিশেষ একটি ছাত্র সংগঠনের দৌরাত্বের কারণে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া যায়নি বলে অভিযোগ বামসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের।
তবে, কর্মী সংকট আর নিজেদের জনপ্রিয়তা না থাকার কারণে অন্যান্য সংগঠন প্যানেল দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগ নেতারা।
এরই মধ্যে হল সংসদ নির্বাচনে তাদের বেশ কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানান তারা।