ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ডাকসু নির্বাচনে দুর্নীতি ও জালভোটের অভিযোগে প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যজোট ও কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, ছাত্রদল, ছাত্র ঐক্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচন বয়কট করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছে।
ক্যাম্পাসজুড়ে ভোট বর্জনকারীদের চলছে বিক্ষোভ মিছিল।
সোমবার বেলা ১টার পর থেকে ঢাবি এলাকাজুড়েই এ অবস্থা বিরাজ করছে।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামীপন্থি ছাত্র সংগঠনের নেতারা হলে অবস্থান নিয়ে ভোটকেন্দ্রগুলো দখল করে আছে।
জানা গেছে, বেলা ১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রগুলো খালি হয়ে যায়। এসময় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থি শিক্ষার্থী ও নেতা ছাড়া কাউকে হলে অবস্থান করতে দেয়া হয়নি।
এদিকে, এর এর আগে ঢাবির উপাচার্য ঘোষণা দেন ভোটারদের উপস্থিতি বেশি থাকে তাহলে অতিরিক্ত সময়ে ভোটগ্রহণ চলবে।
উপাচার্যের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে ভোট বাতিলের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন বর্জনকারীরা।
ক্যাম্পাসজুড়ে থেমে থেমে চলছে বিক্ষোভ। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে মিছিল-স্লোগান দিচ্ছেন
ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট প্রত্যাখ্যান করে প্রগতিশীল বামজোট, ছাত্র ফেডারেশন ও কোটা আন্দোলনসহ বিভিন্ন পদের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে সবার পক্ষ থেকে ভোট প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন বামজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী।
এসময় অন্য প্যানেলের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, আমরা এই প্রহসন ও জালিয়াতির নির্বাচনকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি নতুন নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন, একাডেমিক ভবনে ভোট কেন্দ্র স্থাপন এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ দাবি জানান।
তবে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে নিয়মানুসারেই বিকেল ৫টা ১০ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
এর আগে সেখানকার ভোট কারচুপি ও বিক্ষোভের কারণে ভোটগ্রহণ আপাতত স্থগিত করা হয়।