যারা ব্যবসার উদ্দেশ্য কোচিং করায় সেসব সেন্টার বন্ধের চিন্তা করছে সরকার— সেজন্য যে আইন রয়েছে তা রিভিউ করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
বুধবার বিকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা তিনি বলেন তিনি।
কোচিং করানো দোষের কিছু নয়, তবে তা যদি বাণিজ্যে রূপ নেয় এবং সে বাণিজ্যের সঙ্গে শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা থাকলে তা অপরাধ বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
সরকার যাচাই বাছাই করে ব্যবস্থা নেবে— এর আগে দেশজুড়ে হতে যাওয়া স্টুডেন্ট কেবিনেট নিয়ে ব্রিফিং করেন শিক্ষামন্ত্রী।
আগামী কাল ১৪ মার্চ দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসায় এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গত কয়েক বছর সকল পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ধারাবাহিকতার কারণ খুঁজতে গিয়ে ঘুরে ফিরে কোচিং সেন্টারগুলোর দিকেই অভিযোগের আঙ্গুল ওঠে। বেশিরভাগ কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পৃক্ততার প্রমাণও মিলেছে বারবার। সেসব বিবেচনা করে প্রতিবছরই পরীক্ষার দিনগুলোতে কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশও জারি থাকে সরকারের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে শিক্ষার এই বাণিজ্য বন্ধ করতে আইন প্রণয়ন করেও তা বাস্তবায়নও সম্ভব হয়নি।
এবার নতুন দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনিও বলেন, কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়া উচিত।
সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিং বাণিজ্য বা টিউশন পর্যায়ে তা যাচাই বাছাই করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এবিষয়ে বিদ্যমান আইন রিভিউ করা হবে।
এর আগে দেশজুড়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা পর্যায়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, শিশু বয়স থেকে সবাই গণতন্ত্রের চর্চা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যাতে হতে পারে সেজন্যই এ উদ্যোগ।
২০১৫ সাল থেকে হয়ে আসা স্টুডেন্ট নির্বাচনে এবার ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৮টি পদে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৩৭জন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, শৃঙ্খলার দায়িত্ব শিক্ষার্থীরাই পালন করবে।
নির্বাচিতরা পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বৃক্ষরোপন, বাগান তৈরি, দিবস পালনের মতো ছোটখাটো আয়োজন দেখভাল করবে।