ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ -ডাকসু ও হল সংসদের প্রথম কার্যকারি সভার মধ্যে দিয়ে নির্বাচিত নেতৃত্ব দায়িত্ব নিলেও আনুষ্ঠানিক অভিষেকের এখনো বাকি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভিপি নুরুল হক নূর জানান, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সময় পাওয়ার ওপরই ডাকসু ও হল সংসদ নেতাদের অভিষেকের অনুষ্ঠানের সময়সূচি নির্ভর করছে।
তিনি জানান, রাজনৈতিক বিষয় ছাড়া শিক্ষার্থীদের কল্যাণে যে কোনো বিষয়েই ডাকসু নেতৃত্ব একমত।
দেশ টিভিতে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন ডাকসুর নতুন ভিপি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠানের পর ২৩ মার্চ প্রথম কার্যনির্বাহী বৈঠকের মধ্যে দিয়ে দায়িত্বভার বুঝে নেয় নির্বাচিত নেতৃত্ব।
ওই সভায় ডাকসু জিএস গোলাম রব্বানি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডাকসুর আজীবন সদস্য হিসেবে মনোনীত করার প্রস্তাব তোলেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে নেয়া বিভিন্ন পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্যপদ দেয়ার বিপক্ষে নিজের অবস্থানের কথা সভায় তুলে ধরে ভিপি নুরুল হক নূর।
শুরুতেই এমন মতবিরোধ- ভবিষ্যতের জন্য কোনো সমস্যা তৈরি করতে পারে কি না, জানতে চাইলে ভিপি জানান, নির্দিষ্ট কোনো ছাত্র সংগঠনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন নয়- বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নই ডাকসুর একমাত্র উদ্দেশ্যে।
ডাকসুর বেশিরভাগ সদস্য যদি কোনো বিষয়ে একমত হন সেক্ষেত্রে ভিপির আপত্তি কতোটা কার্যকর হতে পারে- এ প্রশ্নেরও জবাব দেন নুরুল হক নূর।
অভিষেক অনুষ্ঠান আগামী এপ্রিল অথবা মে মাসেও হতে পারে উল্লেখ করে ভিপি বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সময় দেয়ার ওপরই বিষয়টি নির্ভর করছে।